Tuesday, 5 July 2016

হাসনাত করিম ও কিছু কথা

একটা লোক বিশজন মানুষকে মাথা ঠান্ডা করে নৃশংসভাবে খুন হতে দেখে চিংড়ি মাছ দিয়ে সেহরি খেয়েছিল। সে একা না, তার হিজাবী বউ সমেত চিংড়ির মাথা চিবিয়ে মগজ উপড়ে নিয়েছিল তৃপ্তিসহকারে। অথচ এরা নাকি কয়েক ঘন্টা আগে কিছু নিরপরাধ মানুষকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপাতে দেখেছিল। সবাই মারা গেলেও তারা অক্ষত ছিল কারণ তারা সহি মুসলমান ছিল। এটা তারা নিজেরাই বের হয়ে এসে প্রকাশ করেছিল। জঙ্গিদের কাছ থেকে সহি মুসলমানের সার্টিফিকেট পাওয়া সেই দম্পত্তি এখন নাকে কাঁদছেন তাদের জীবন নাকি ঝুঁকিতে আছেন! বাহ!

গুলশান হামলায় নিরাপদে, হেলেদুলে মুক্তি যাওয়া হাসনাত করিম ও তার পরিবার এখন অ্যামনেস্টির কাছে নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে শুনেছি চিঠিপত্র চালাচালি করছে। নেস্টিও নাকি তাদের বাঁচাতে চিঠি চালাচালি করছে। একাত্তরে বাংলাদেশে গণহত্যার সময় এই নেস্টি মুখে কুলুপ এটে বসেছিল। তারপর যারা ৪৪ বছর আগে সেই গণহত্যা ঘটিয়েছিল তাদের বিচার ৪৪ বছর পর করতে গেলে তাদের মানবাধিকারের প্রশ্ন তুলে বিচারের বিরোধীতা করেছে। 

হাসনাত করিম ও তার হিজাবী স্ত্রী গুলশান হামলায় জড়িত কিনা সেটা বাংলাদেশের পুলিশ ও আদালতের এখতিয়ার খুঁজে বের করা। তার ও তার পরিবারের পুরো মানবাধিকারে আমরা বিশ্বাসী। কুখ্যাত রাজাকারগুলোকেও আমরা তাদের নৃশংসতার কথা জেনেও সর্বচ্চ মানবাধিকার দেখিয়েছি। হাসনাত অতিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত হিযবুর তাহরিরে যুক্ত থাকার রেকর্ড থাকার পরও আদালতকৃত দোষি বলার আগে তাকে দোষি বলছি না। কিন্তু এই দোষি বা নির্দোষি হবার আগে কোন নেস্টিফেস্টির মানবাধিকারের ডাক দিয়ে চালাকির কোন সুযোগ নেই। জঙ্গিবাদের হয়ে কোন মানবাধিকার সংস্থা পরোক্ষ ভূমিকা রাখুন আমরা তা চা্ই না।

No comments:

Post a Comment