Tuesday, 12 July 2016

ক্যাপ্টাগন ঔষধে শুধু মুসলিমরা কেন পতিত হয়?

অতিব দুঃখজনক ও হতাশার কথা হচ্ছে এখন পর্যন্ত একজন ইহুদীকে ক্যাপ্টাগন পিল খাইয়ে সন্ত্রাসী কাজে নামানো গেলো না। ক্যাপ্টাগনের ফর্মুলা ইসলামী দেশগুলোর ফার্মাসিস্টদের কাছেও আছে। 

তারাও ইহুদী তরুণদের ধরে একটা করে ক্যাপ্টাগন পিল খাইয়ে মুসলিমদের উপর ‘জিহোবা আকবর’ বলে ঝাপিয়ে পড়াতে পারল না। কিংবা শিবসেনা দলের কোন সদস্যকে ক্যাপ্টাগন পিল খাইয়ে ‘হর হর মহাদেব’ বলে কাউকে আত্মঘাতি করা গেলো না। 

ক্যাপ্টাগন খালি মুসলমান ঘরের ছেলেমেয়েগুলো খেয়ে শান্তির ধর্ম ইসলামের প্রস্টিজ পাংচার করে দিচ্ছে। ফ্রান্সের হামলাকারী যে একজন মুসলিম হবে এটা খোদ ফরিদউদ্দিন মাসউদও মনে মনে ঠিকই অনুমান করতে পেরেছিলেন। যারা হররোজ এইসব জিহাদী কাজের পিছনে ইহুদীদের হাত খুঁজেন তারাও এরকম ঘটনা ঘটার পর মনে মনে একজন সম্ভাব্য মুসলিম হামলাকারীর কথাই ভাবেন। কোন বারই তার পরিচয় ইহুদী, হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিস্টান… হয় না।

এই হতাশা থেকেই ‘সন্ত্রাসীদের কোন ধর্মীয় পরিচয় নেই’ থিউরির জন্ম। ভারতের ‘উগ্রবাদী হিন্দুরা’ বাবরী মসজিদ ভাঙ্গে, মিয়ানমারে ‘বৌদ্ধ বিক্ষুরা’ রোহিঙ্গা মুসলিম নিপীড়ন করে, ‘ইহুদীরা’ মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে – এইরকম ধর্মীয় পরিচয় নিজেরা রোজ ব্যবহার করলেও গুলশানের হামলাকারীরা মুসলমান নয়! 

বলা হচ্ছে ফ্রান্সের নিস শহরের হামলাকারী মোহাম্মদ লাহৌআইজ বৌহলেল নামাজ পড়তেন না, মদ খেতেন, শুকর খেতেন, স্ত্রীকে পিটাতেন, এসব কোন মুসলমানের কাজ নয়, সে মুসলমানই ছিল না…

No comments:

Post a Comment