যখনই ইসলামের আসল চেহারাটি বেরিয়ে পড়ে সেটাকে ধামাচাপা দিতে কাফেরদের চক্রান্ত বলে নিজের গায়ের অপরাধকে কাফেরদের গায়ে চাপিয়ে দিয়ে ইসলাম নিজেকে রক্ষা করে। ১৪০০ বছর আগের নবী কর্তৃক সমস্ত জেনোসাইডকে নানারকম কাল্পনিক, মিথ্যা বিশ্বাসঘাতকতা অভিযোগে হালাল ও যৌক্তিক করা হয়েছে। কিন্তু দুনিয়াতে যত বড় অভিযোগই তোলা হোক না কেন, গণহত্যার জন্য কোন অযুহাতই গ্রহণযোগ্য নয়। গণহত্যায় নারী, শিশু, বৃদ্ধ, নিরপরাধী মানুষকে গণহারে, গণঅভিযোগে হত্যা করা হয়।
বিশ্বাসঘাতকতা কখনো গোটা সম্প্রদায়, গোষ্ঠি, গোত্র করতে পারে না। নিরহ নারী, শিশুরা রাজনীতি বুঝে না। অথচ তারাও শিকার হয় নির্মম গণহত্যার শিকার। যে কারণে গণহত্যার কোন সাফাই চলে না। অথচ দেখা যায় ইসলামের নবী ইহুদী গোত্রগুলোর প্রতি উচ্ছেদ, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, গণহত্যা (যেমন বনু কুরাইযা), লুটপাটের মত ঘটনাগুলোর পিছনে ইহুদীদের ষড়যন্ত্র, গোপন বিশ্বাসঘাতকতা, চুক্তি বা সন্ধি ভঙ্গের মত অভিযোগ দাঁড়া করানো হয়। কোন সুস্থ, বিবেক সম্পন্ন মানুষ এসব অভিযোগের কারণে গোটা একটা সম্প্রদায়কে হত্যা করাকে সমর্থন করতে পারে না। তাই মুসলিমদের মধ্যে যারা ইসলামের নবীর এহেন কর্মকান্ডকে জেনেও অবিচল থাকেন বিশ্বাসে এবং সাফাই গান হত্যাযজ্ঞের জন্য তারা শুধু মানসিকভাবেই অসুস্থ না, মানুষের কাতারেই তারা পড়েন না!
শুধুমাত্র লিঙ্গের অগ্রভাবে কেশের অবস্থান দেখেই সাবালক বিবেচনা করে বারো-তেরো বছরের শিশুদেরকেও ইসলাম গণহত্যার জন্য হালাল করেছে। বাকীদের দাসে পরিণত করা হয়েছে। নারীদের করা হয়েছে মুসলিমদের জন্য যৌনদাসী। এইসব যুদ্ধবন্দী নারীদের মহান ইসলামী যুদ্ধের রসদ কেনার জন্য বিক্রিও করে দেয়া হতো গরু-ছাগলের মত। নারী বেচাকেনার সেই পয়সায় মহান রাব্বুল আলামিনের শান্তির ধর্ম ইসলাম কায়েমের যুদ্ধের ঘোড়া, তরোয়ালসহ সমস্ত যুদ্ধ রসদ কেনা হতো। এসব কোন নাস্তিকের লেখা বই পড়ে জানার দরকার নেই।

