Thursday, 31 March 2016

ইসলামী আসল চেহারা

যখনই ইসলামের আসল চেহারাটি বেরিয়ে পড়ে সেটাকে ধামাচাপা দিতে কাফেরদের চক্রান্ত বলে নিজের গায়ের অপরাধকে কাফেরদের গায়ে চাপিয়ে দিয়ে ইসলাম নিজেকে রক্ষা করে। ১৪০০ বছর আগের নবী কর্তৃক সমস্ত জেনোসাইডকে নানারকম কাল্পনিক, মিথ্যা বিশ্বাসঘাতকতা অভিযোগে হালাল ও যৌক্তিক করা হয়েছে। কিন্তু দুনিয়াতে যত বড় অভিযোগই তোলা হোক না কেন, গণহত্যার জন্য কোন অযুহাতই গ্রহণযোগ্য নয়। গণহত্যায় নারী, শিশু, বৃদ্ধ, নিরপরাধী মানুষকে গণহারে, গণঅভিযোগে হত্যা করা হয়। 

বিশ্বাসঘাতকতা কখনো গোটা সম্প্রদায়, গোষ্ঠি, গোত্র করতে পারে না। নিরহ নারী, শিশুরা রাজনীতি বুঝে না। অথচ তারাও শিকার হয় নির্মম গণহত্যার শিকার। যে কারণে গণহত্যার কোন সাফাই চলে না। অথচ দেখা যায় ইসলামের নবী ইহুদী গোত্রগুলোর প্রতি উচ্ছেদ, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, গণহত্যা (যেমন বনু কুরাইযা), লুটপাটের মত ঘটনাগুলোর পিছনে ইহুদীদের ষড়যন্ত্র, গোপন বিশ্বাসঘাতকতা, চুক্তি বা সন্ধি ভঙ্গের মত অভিযোগ দাঁড়া করানো হয়। কোন সুস্থ, বিবেক সম্পন্ন মানুষ এসব অভিযোগের কারণে গোটা একটা সম্প্রদায়কে হত্যা করাকে সমর্থন করতে পারে না। তাই মুসলিমদের মধ্যে যারা ইসলামের নবীর এহেন কর্মকান্ডকে জেনেও অবিচল থাকেন বিশ্বাসে এবং সাফাই গান হত্যাযজ্ঞের জন্য তারা শুধু মানসিকভাবেই অসুস্থ না, মানুষের কাতারেই তারা পড়েন না!


শুধুমাত্র লিঙ্গের অগ্রভাবে কেশের অবস্থান দেখেই সাবালক বিবেচনা করে বারো-তেরো বছরের শিশুদেরকেও ইসলাম গণহত্যার জন্য হালাল করেছে। বাকীদের দাসে পরিণত করা হয়েছে। নারীদের করা হয়েছে মুসলিমদের জন্য যৌনদাসী। এইসব যুদ্ধবন্দী নারীদের মহান ইসলামী যুদ্ধের রসদ কেনার জন্য বিক্রিও করে দেয়া হতো গরু-ছাগলের মত। নারী বেচাকেনার সেই পয়সায় মহান রাব্বুল আলামিনের শান্তির ধর্ম ইসলাম কায়েমের যুদ্ধের ঘোড়া, তরোয়ালসহ সমস্ত যুদ্ধ রসদ কেনা হতো। এসব কোন নাস্তিকের লেখা বই পড়ে জানার দরকার নেই। 

Saturday, 19 March 2016

বনু কুরাইযা গোত্র উপর ইসলামী অত্যাচার

মদিনার বনু কুরাইযাকে কচুকাটা করা হয়েছিল মামুলি চুক্তিভঙ্গ করার অভিযোগে! যদিও চুক্তিভঙ্গের অভিযোগটি যে ধাপ্পাবাজী তা হাদিসের বর্ণনাতেই ধরা পড়ে। যদি কোন মানুষকে তার অপরাধের প্রমাণ হিসেবে বলা হয় যে সেই ব্যক্তি জাদু দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল সেটাকে কেমন করে আজকের যুগে প্রমাণ হিসেবে দাঁড় করা যায়? ইতিহাস আরব্য রজনীর গল্প না।বনু কুরাইযা গোত্রকে নি:শেষ করা হয়েছিল চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে, গোত্রের প্রধান কা’ব ইবনে আসাদ অন্য গোত্রের হুয়াই ইবনে আখতাবের জাদুর দ্বারা আক্রান্ত হয়ে চুক্তিভঙ্গ করতে সম্মত হয়। এরচেয়ে মিথ্যাচার, ধাপ্পাবাজী ধর্মের ইতিহাসে বোধহয় দ্বিতীয়টি নেই।

খন্দকের যুদ্ধের পর পর ৬২৯ সনের এপ্রিল মাসে বনু কুরাইযা গ্রোত্রের উপর নবী ও তার সাহাবী বাহিনী আক্রমণ করেন। দুনিয়ার কোন ইসলামিস্টই এই ঘটনাকে এড়াতে পারেন না, বলতে পারেন না যে এরকম কোন ঘটনাই ঘটেনি। বাংলাদেশে স্বাধীনতা বিরোধীরা আজকাল যেমন বলতে পারেন ৭১ সালে এখানে তেমন কিছুই ঘটেনি, তেমনটা ইসলামিস্টরা দাবী করতে পারেন না কারণ এসব হাদিস, বিভিন্ন ইসলামী গ্রন্থ এবং স্বয়ং কুরআন শরীফে এর উল্লেখ আছে। কুরআনের তাফসিরে এর ব্যাখ্যা আছে। এজন্য বনু কুরাইযাসহ ইহুদী আরো নানা গোত্রের উপর নবী মুহাম্মদের হামলা, অত্যাচারকে ইসলামী দুনিয়া অস্বীকার করতে না পেরে একে যৌক্তিক প্রমাণ করতে সচেষ্ট হয়। তারা বুঝাতে চায় ঐ হামলাগুলো করা হয়েছিল ইহুদীদের গাদ্দারী, বিশ্বাসঘাতকতার কারণেই! আমার নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হয় কারণ আমি ইসলাম ধর্মকে ত্যাগ করতে পেরেছি। আমি নাস্তিক না হলে খুব সহজেই এইসব গণহত্যাগুলোর সপক্ষে নানা রকম যুক্তি খুঁজে পেতাম!

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের তালেবান

আফগানিস্থানের তালেবান, পাকিস্তানী তালেবানকে নিন্দা জানিয়েছে! এ হচ্ছে মাছের মার পুত্রশোক! সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় জামাতের দু:খপ্রকাশ যেমন হাস্যকর, এক তালেবানকে আরেক তালেবানের নিন্দা সেরকমই হাস্যকর। এসব করার কারণ হচ্ছে, আসল ইসলাম সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ হবার ভয়। যারা আল্লামা, মুফতি, শাইখুল হাদিস, কুরআন বিশেষজ্ঞ তারা জানে পাকিস্তানী তালেবান যে প্রতিশোধ নিয়েছে তা কুরআন হাদিসে নজিরবিহীন নয়। 

কথিত ষড়যন্ত্র বা আক্রমণের আশংকায় বা চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে ইসলামের নবী পুরো একটা গোত্রকে দুনিয়া থেকে উঠিয়ে দিয়েছিলেন তার প্রমাণ হাদিস, কুরআনসহ বিভিন্ন ইসলামী বইতে অত্যন্ত গর্বভরে প্রকাশ করা হয়েছে। বিধর্মী নারীদের বন্দি করে হেরেমে ভরেছিলেন গণিমতের মাল ঘোষণা করে। অথচ সহি ইসলামঅলারা এখন পাকিস্তান তালেবানের শতাধিক শিশুকে হত্যার পর ইসলামকে বাঁচাতে ফের মাঠে নেমেছে।

Friday, 11 March 2016

বাংলাদেশের রাজনীতি ও ধর্ম

ঘোষেটি বেগম প্রসাদ ষড়যন্ত্র এইবার ব্যর্থ হলেও আশাহত হবার কারণ দেখি না। তাদের ভবিষ্যত উজ্জ্বলই মনে হচ্ছে। হতাশার কথা লিখতে চাইনি, কিন্তু যা বিশ্বাস করি তা লিখতেই হবে, উপায় নেই…।

আওয়ামী লীগ যদি উন্নয়ন দিয়ে পুরো দেশও ভরে ফেলে তবু একটা পক্ষপাতহীন নির্বাচনে ভয়ংকর ভরাডুবি তারা এড়াতে পারবে না। কারণ আওয়ামী লীগের গায়ে “ধর্মনিরপেক্ষতা” বলে একটা তকমা লাগানো আছে। এদেশের মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতা চায় না। দুনিয়ার কোন সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমই তা চায় না। আওয়ামী লীগ এখন ধর্মনিরপেক্ষতা থেকে বহুদূর দিয়ে হাঁটে। তবু “দুর্নাম” যেন ঘুচবার নয়! এই দলটি এখন ডানপন্থির দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। না যেয়ে উপায়ও নেই। তারাও জানে দেশের মানুষ ইসলাম চায়। তারা ইসলামী ভাবাপন্ন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। অদ্ভূত কারণে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠি আওয়ামী লীগকে ইসলাম বিরোধী বলে মনে করে। এই সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। যারা বংশক্রমে আওয়ামী সমর্থক, তারাও দলকে ইসলামী ধ্যান-ধারনায় দেখতে চায়। দল হিসেবে আওয়ামী লীগের এখন তাতে আপত্তি নেই। তবু আওয়ামী বিরোধী ভোট বেড়েই চলেছে।

গভীর কারণটা হচ্ছে পাকিস্তানকে ভাঙ্গা। পাকিস্তান একটা ইসলামী রাষ্ট্র, সেই রাষ্ট্র ভেঙ্গে বাংলাদেশ নামে একটা ধর্মনিরপেক্ষ (হোক কাগুজে) রাষ্ট্র হওয়া তো সহজে হজম হবার নয়। আজকে যতই শেখ মুজিবকে “তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি” বলে ইতিহাস রচনা করা হোক না কেন, তিনিই যে পাকিস্তার ভাঙ্গার মূল হোতা সেটা পাকিস্তান প্রেমিদের অজানা নয়। সেই থেকে তাদের চোখে আওয়ামী লীগ ইসলামী কওমের শত্রু। 

তারা উপমহাদেশে ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার শত্রু। ৭৫ সালের পর আওয়ামী লীগকে ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকতে হয়েছে সামরিক শসনের কারণে। এই ২১ বছর পর ১৯৯১ সালে একটা নিরপেক্ষ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে হারতে হয়েছিল “মুসলিম জাতীয়তাবাদের” জোর জোয়ারে কাছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে ইন্ডিয়া বাংলাদেশকে দখল করে ফেলবে, হিন্দুস্তানী শাসন কায়েম হবে- খালেদা জিয়ার এই প্রচরণার কাছে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে হেরে যান। সেই থেকে আওয়ামী লীগের বদলে যাবার লক্ষণীয় উদ্যোগ। 

Thursday, 10 March 2016

লাল মসজিদের খতিব আব্দুল আজিজ

পাকিস্তানের লাল মসজিদের খতিব আবদুল আজিজ লোকটা ইসলামের কিছুই জানে না। লোকটা বলে কিনা তালেবানদের বিরুদ্ধে অভিযান অনৈসলামিক! 

তার উচিৎ বাংলাদেশের মডারেট মুসলিমদের কাছ থেকে ইসলাম শিখে যাওয়া। যারা "সালাফি সেক্যুলার" ট্যাগ মারে রোজ তাদের কাছ থেকে কুরআন-হাদিস জেনে নেওয়া। 

লোকটা আবার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে বাংলাদেশ, ভারত থেকে আলেম-ওলামাদের ডেকে আনলে তিনি প্রমাণ করে দিবেন তালেবানদের উপর হামলা অনৈসলামিক। লোকটাকে আচ্ছা মত ইসলাম শিক্ষা দেয়ার জন্য মডারেট মুসলিম আর সালাফি সেক্যুলার ট্যাগঅলাদের পাকিস্তানের লাল মসজিদের খতিবের কাছে পাঠানোর দাবী জানাচ্ছি!

Wednesday, 9 March 2016

ধর্ম নামের ব্যবসা

এই বিশাল ভারতবর্ষ নামের ভূখন্ড যার নামে পরিচিত সেই ভরত ছিলেন রাজা দুষ্মন্ত ও শকুনতলার “অবৈধ” সন্তান। রাজা দুষ্মন্ত শকুনতলার প্রতি কামাসিক্ত হয়ে স্রেফ একটা আংটি পরিয়ে বিয়ে করেন এবং পরবর্তীকালে দুষ্মন্ত শকুনতলাকে ও তার সন্তানকে অস্বীকার করেন। মহাভারতের কর্ণ তার কুমারী মা কুন্তির সন্তান।…সেই ভারতবর্ষে একজন মা, যিনি সন্তানকে পেটে ধারন করেন, যার রক্তে-মাংসে একটু একটু করে বেড়ে উঠে সন্তান, কেন সে সন্তান তার মায়ের পরিচয়ে স্বীকৃতি পাবে না? যে দেশে ভরত বা কর্ণকে দেবতা জ্ঞানে সম্মান করা হয় সে দেশে কেন পিতৃ পরিচয়হীন সন্তানকে স্বীকৃতি দিবে না?

রাজতন্ত্রকে হটিয়ে বামপন্থিরা নেপালের ক্ষমতায় এসেছেন। সেখানে কোন বিজিপি বা হিন্দু সংঘ সরকার গঠন করেননি। করেছে বামপন্থিরা এবং তারাই পার্লামেন্টে বিল আনতে যাচ্ছে- যে সব মায়ের তার সন্তানের পিতার স্বীকৃতি নেই তাদের নাগরিত্ব দিবে না নেপাল সরকার। 

সেদিন এনটিভিতে ইসলামী সাওয়াল জবাবের একটা অনুষ্ঠানের খানিকটা দেখছিলাম। মানুষ কতটা ধর্ম দ্বারা অসুস্থ, নির্বুদ্ধি, কান্ডজ্ঞানহীন হতে পারে এ ধরনের ইসলামী প্রশ্ন-উত্তর পর্ব না দেখলে অনুমান করা যাবে না। যাই হোক, সেই অনুষ্ঠানে একজন মহিলা প্রশ্ন করলেন, তিনি বাড়িতে পাখি পোষেন, পাখি পোষা ইসলামে জায়েজ কিনা? বিদঘুটে, উদ্ভট পোশাকের এক মাওলানা উত্তর করলেন, হাদিসে আছে একজন সাহাবী (নামটা আমি ভুলে গেছি) পাখি পোষতেন, নবী এটা জানার পরও নাকি কোন মন্তব্য করেননি। নিষেধ করেননি পাখি না পোষার জন্য। কোন বিধিবিধানও ঠিক করে দেননি। কাজেই পাখি পোষা ইসলামে কোন নিষিদ্ধ কাজ নয়। হুজুর নিজে থেকে যোগ করলেন, তবে পাখি পোষার সময় খেয়াল রাখবেন যেন পাখির মৌলিক যে অধিকারগুলো আছে সেগুলো যেন লঙ্ঘন না হয়। 

যেমন দানা-পানি দেয়া ইত্যাদি। নবী যেখানে কিছুই বলেননি এ বিষয়ে সেখানে এই মৌলবী আগ বাড়িয়ে যা বললেন সেটা ইসলাম বলে মানতে হবে নাকি? একটা পাখিকে দানাপানি দিতে হবে এটা নবী বলেননি। কাজেই খাঁচার পাখিকে কিছু না খাইয়ে মেরে ফেললেও কোন দোষ নেই? একটা পাখির মৌলিক অধিকারের মধ্যে অন্যতম হলো তার উড়বার স্বাধীনতা। মানুষ সেই মৌলিক অধিকারকে হরণ করে একটা পাখিকে নিজের বিকৃত সখ পুরনের জন্য পোষে। যে মহিলা প্রশ্ন করেছিলেন তার কিন্তু মনের মধ্যে একটা অপরাধবোধ কাজ করতো এ জন্য। 

Wednesday, 2 March 2016

যীশু নামের মিথ্যে মিথ

খ্রিস্টান আর ইহুদী ধর্ম নিয়ে সমালোচনা করলে কি ইসলাম অবমাননা হবে? যারা বলেন শুধু ইসলাম ধর্ম নিয়ে কেন সমালোচনা হয়, আর কোন ধর্ম নাই- তারা নিশ্চয় এবার খুশি হবেন অন্য ধর্মের পয়গম্বকে নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হলে! 

কি মুশকিল, বলছি যীশু একটি কল্পিত চরিত্র, মুসার কোন ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নেই- তাতে ইসলাম প্রেমিরা চটবেন কেন?

যীশুর জন্মের ৫৭০ বছর পর জন্ম নেয়া হযরত মুহাম্মদের জন্ম তারিখই যেখানে বিতর্কিত সেখানে যীশুর জন্ম তারিখ ২৫ ডিসেম্বর কেমন করে নিশ্চিত হওয়া গেলো? যীশুর বাথ সার্টিফিকেট কোন পৌরসভার নথিতে পাওয়া গেছে? দুনিয়াতে একটা ঐতিহাসিক প্রমাণ দেখানো যাবে যার দ্বারা নিশ্চিত হওয়া যায় যীশু বলতে একজন রক্ত-মাংসের মানুষ ছিলেন? না, যায় না। বেথেলহাম বলতে দুনিয়াতে একটি জায়গার নাম থাকলেই সেটা প্রমাণ হয়ে যায় না। যীশু যে একটি কল্পিত চরিত্র সেটা তো চার্চের গোপন নথিতেই রয়ে গেছে। যীশুকে মানুষ রূপে দেখানোর আগে একটি ভেড়াকে ক্রুশে দেখানো হতো। প্রাচীনকালে সুপ্রসিদ্ধ আর্য জাতি যাযাবর বৃত্তিতে পৃথিবীর যে প্রান্তেই গিয়েছে সঙ্গে করে নিয়ে গেছে নিজেদের সংস্কৃতি, লোকাচার আর ধর্মকে। 

তারপর স্থানীয়দের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে আর্য ও অনার্য ভাষা, সংস্কৃতি আর ধর্ম বিশ্বাস। মুসা নবীর কাহিনী আর ভারতবর্ষের শ্রীকৃষ্ণের কাহিনী তাই একই রকম। আর্যদের ঈশ্বর গড়ে উঠেছে সূর্যকে কেন্দ্র করে। সূর্য হচ্ছে মহা শক্তিধর একটা উৎস। সূর্যের আলো ছাড়া পৃথিবীতে কোন কিছুই সম্ভব নয়। আবার সূর্যের অতি ক্ষমতা মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে তুলে। কাজেই আর্যদের কাছে সূর্য ঈশ্বর।