আফগানিস্থানের তালেবান, পাকিস্তানী তালেবানকে নিন্দা জানিয়েছে! এ হচ্ছে মাছের মার পুত্রশোক! সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় জামাতের দু:খপ্রকাশ যেমন হাস্যকর, এক তালেবানকে আরেক তালেবানের নিন্দা সেরকমই হাস্যকর। এসব করার কারণ হচ্ছে, আসল ইসলাম সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ হবার ভয়। যারা আল্লামা, মুফতি, শাইখুল হাদিস, কুরআন বিশেষজ্ঞ তারা জানে পাকিস্তানী তালেবান যে প্রতিশোধ নিয়েছে তা কুরআন হাদিসে নজিরবিহীন নয়।
কথিত ষড়যন্ত্র বা আক্রমণের আশংকায় বা চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে ইসলামের নবী পুরো একটা গোত্রকে দুনিয়া থেকে উঠিয়ে দিয়েছিলেন তার প্রমাণ হাদিস, কুরআনসহ বিভিন্ন ইসলামী বইতে অত্যন্ত গর্বভরে প্রকাশ করা হয়েছে। বিধর্মী নারীদের বন্দি করে হেরেমে ভরেছিলেন গণিমতের মাল ঘোষণা করে। অথচ সহি ইসলামঅলারা এখন পাকিস্তান তালেবানের শতাধিক শিশুকে হত্যার পর ইসলামকে বাঁচাতে ফের মাঠে নেমেছে।
সাধারণ মানুষ যেন কোনভাবে সন্দেহ করতে না পারে যে ইসলাম একটি সন্ত্রাসী ধর্ম। দুদিন পর দেখবো বেকো হারাম, আইএসও পাকিস্তান তালেবানকে নিন্দা জানাচ্ছে। যদিও কেউই এখন পর্যন্ত পাকিস্তান তালেবানের উপর প্রতিশোধ নেবার কথা বলেননি। তাদের অমুসলিম ঘোষণাও কেউ করেনি। তাদের ফাঁসির দাবীও কোথাও উঠেনি। লতিফ সিদ্দিকী মুহাম্মদকে আবদুল্লা পুত্র বলায় ইসলাম হেফাজতকারীরা ইসলামের সর্বনাশ দেখতে পেয়েছিলেন।
তারা লতিফের ফাঁসির দাবীতে পথে নেমেছিলেন। কিন্তু শতাধিক শিশুকে ইসলামের দোহাই দিয়ে হত্যা করার পরও ইসলামকে হেফাজত করতে কেউ এগিয়ে আসছে না! এর কারণ হচ্ছে পাকিস্তান তালিবান মোটেই ইসলাম লঙ্ঘন করেনি। নিচের হাদিসটা দেখুন কেমন শান্তির পথে নবী ইসলামের দাওয়াত জানাতেন অবিশ্বাসীদের:
আবু হুরাইরা বর্ণিত- একদা আমরা মসজিদের মধ্যে ছিলাম, তখন নবী আসলেন আর বললেন- চল আমরা ইহুদিদের বস্তিতে যাই। আমরা তখন বাইতুল মিডরাস পৌছলাম। নবী সেখানকার ইহুদিদেরকে বললেন- যদি তোমরা ইসলাম গ্রহণ কর তাহলে তোমরা নিরাপদ। তোমাদের জানা উচিত দুনিয়াটা আল্লাহ ও তার রসুলের। আমি তোমাদেরকে এ ভূমি থেকে উৎখাত করতে চাই। এখন যদি তোমাদের কোন সম্পদ থাকে তাহলে তা বিক্রি করে দাও, অন্যথায় জেনে রাখ এ দুনিয়া আল্লাহ ও তার রসুলের। বুখারি, ভলুম-৪, হাদিস-৩৯২
No comments:
Post a Comment