Wednesday, 29 June 2016

যারা সিরিয়াতে যাবার পথ ধরেছে তাদের জানা উচিৎ

যারা সপরিবারে সিরিয়া গিয়ে আইএসে যোগ দিতে মনস্থির করে ফেলেছেন তাদের স্ত্রী কিংবা কন্যাদের জিহাদী ভাইদের যারা স্ত্রী থেকে বিচ্ছিন্ন তাদের যৌনক্ষুধা নিবারণ করতে দান করতে হতে পারে সেটা মাথায় রাইখেন। কে কতটুকু ইসলাম জানেন, কার ইসলাম সহি আর অসহি সেটা সেখানে গিয়ে তর্ক করতে পারবেন না। এরকম বহু নারী জিহাদের চুলকানিতে সিরিয়া গিয়ে যখন দেখল তাকে স্রেফ বেশ্যা হিসেবে ব্যবহার করছে তখনই কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছে। এরকম এক ইংলেন্ডবাসী মহিলা আইএস ফেরত কাঁদতে কাঁদতে বলেছে, তারা মুসলমান না, তিনিভেবেছিলেন… 

ইত্যাদি ইত্যাদি। অর্থ্যাৎ তিনি ভেবেছিলেন, কাফেরদের মেরেধরে হত্যা করে ইসলামী শাসন কায়েম হবে- এটাই ইসলামী জিহাদ। এটুকু সে নেট থেকে, হাদিস থেকে, কুরআন থেকে টুকে নিয়েছিলেন। কিন্তু যখনই যৌনক্ষুধাত্ব জিহাদী ভাই টেনে বিছানায় নিয়েছে ওমনি চিরকালিন নারীসত্ত্বায় গিয়ে আঘাত হেনেছে।

তো, যে সব বাড়িধারা কিংবা গুলশান নিবাসী ধনীর দুলাল, বড় চাকুরে মাথায় সবুজ রঙের টুপি পরে, গোড়ালীর উপর প্যান্ট করে ‘আলহামদুরিল্লাহ’ সপরিবারে সিরিয়া যাবার ইচ্ছা প্রকাশ করছেন তাদের জানিয়ে রাখি, মক্কা থেকে হিযরত করে মদিনায় যারা গিয়েছিলেন সেই মুহাজ্জিররা অনেকেই তাদের স্ত্রীদের সঙ্গে নিতে পারেন নাই বা তাদের সঙ্গে যান নাই তাদের যৌন ক্ষুধা নিবারনের জন্য মদিনাবাসী আনসাররা তাদের একাধিক স্ত্রী-কন্যাকে দান করেছিলেন! হিযরতীরা এদের বিয়ে করেই ভোগ করেছিলেন কিনা, করলেও কি রীতিতে করেছিলেন সেটা অনাবশ্যক প্রসঙ্গ, আসল কথা হচ্ছে এর মধ্যে আছে এটা স্ফূল যৌন লালসা। 

নারী যেন স্রেফ যৌন বিলাসের জিনিস। কারো চার-পাঁচটা বউ আছে, সে তার হিযরত করা মুসলিম ভাইকে তার মধ্য থেকে দুটো দান করে দিলেন! বাহ্, কি মহান নৈতিক ধর্মীয় শিক্ষা! ধর্ম আমাদের নৈতিকতার শিক্ষা দেয়! ধর্ম না থাকলে আমরা নাকি পশু হয়ে যেতাম … বাহ!

… তো, যাই হোক, সিরিয়া যাবার আগে জাকির নায়েকের ভক্তরা একবার ভেবে দেখবেন, শেষতক নিজের বউ-বাচ্চাকে একটা ক্ষুধাত্ব জিহাদীর কাছে দিতে পারবেন কিনা? শত হলেও বাঙালীর তো একটা নিজস্ব সংস্কৃতি আছে। আমাদের জিন যদি সেরকম বহন করে চলে এখনো তাহলে নিশ্চত করেই আরবের এইসমস্ত কালচারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে বাধ্য…।

No comments:

Post a Comment