এবার হাসনাত করিম ইহুদী ছিল কিনা কিংবা তার সঙ্গে তেল আবিবের কোন সংযোগ ছিল কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হবে কি? টকশোর বুইড়া দামড়ারা এতকাল কিভাবে ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে আইএসের ওয়েব সাইট ও সাইট ইন্টিলিজেন্সের কাছে পৌঁছে যায় সেটা ভেবে জ্বর এনে ফেলেছিলেন। তারা এসব থেকেই বুঝে ফেলেছিল জঙ্গি হামলার সঙ্গে কোন মুসলমান ও ইসলামের সম্পর্ক নেই। যাই হোক, অনেক নতুন কিছু জানার সঙ্গে সঙ্গে এটাও জানা গেলে ইহুদীরা সেহরি খায় চিড়িং মাছ দিয়ে।
হাসনাত করিমের ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষায় জানা যায় তার মোবাইল ফোন থেকেইহত্যার রক্তাক্ত ছবিগুলো তৎক্ষণাত পৌঁছে দেয়া হয় বিভিন্ন সাইটে। পাশ্ববর্তি একটা ক্লিনিক থেকে ইসলাম ও মুসলমানদের আজীবনের শত্রু কাফের কোরিয়ান নাগরিক কিছু ভিডিও ও স্টিল ফটো তুলে যাতে হাসনাত করিমকে জঙ্গিদের সঙ্গে মিটিংয়ে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। তার মানে সে সহি মুসলমান না। সেও জঙ্গিদের মত ইহুদী ছিল! ছবিতে আরো দেখা যায় তাহমিদকে অস্ত্র হাতে সেখানে উপস্থিত থাকতে। এই তাহমিদও ইহুদী ধর্ম গ্রহণ করেছিল কিনা, তেল আবিব ভ্রমণ করেছিল কিনা সেটা কি পরীক্ষা করা হবে?
হাসনাত করিমের বাবা এআর করিম গুলশান ঘটনার পর দাবী করেছিল, তার ছেলের বউ সহি পর্দাশীন হওয়ায় জিহাদীরা তাদের ছেড়ে দেয়। পরিস্কার এই বুইড়া ইহুদী ধর্মের অনুসারী এবং তেল আবিবের দালাল! এরেও কি বিচারের আওয়াত আনা হবে? যদিও এইগুলার বিচার করা হলেও কি শেষ রক্ষা হবে আদৌ? ইহুদী ধর্মের জিহাদের অংশগুলিকে রেখে এইসব করে কি ফল হবে? তেল আবিব যে কোটি কোটি জিহাদী সাপ্লাই দিচ্ছে সেটা বন্ধ হবে কিভাবে?
তবে এআর করিমের মত বাপদেরকে আগে পাছার কাপড় তুলে দুঘা না মারলেই নয়। ছেলে যে ইহুদী হয়েছে, তেল আবিব পন্থি হয়েছে সেটা তো সে জানতই। এই অভিযোগেই তার ছেলে নর্থ-সাউথের চাকরি গেছে বলে কথিত। এই লোক কি তার ছেলেকে বলেছে ইহুদী ধর্মের অপব্যাখ্যায় তার ছেলে বিভ্রান্ত।
তেল আবিবের পথ সঠিক নয়? উল্টো পর্দাশীন বউমাকে ইসলামের শত্রু ইহুদী জঙ্গিরা ছেড়ে দিয়েছে বলে গণমাধ্যমে প্রচার করেছে। আমাদের সমাজে এরকম বুড়োদের ইহুদীপ্রীতি, তেল আবিব প্রীতির উপরই তাদের সন্তানদের ইহুদী জঙ্গি হবার, তেল আবিবের শাসন কায়েমের জন্য জঙ্গি হয়ে উঠছে। বিষয়টা কিভাবে সামাল দেয়া যাবে?

No comments:
Post a Comment